Breaking News

কোভিড ১৯ করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশের আদ্যোপান্ত চিত্র

২০১৯ সালে চীনের হুবাই প্রদেশের উহান থেকে এক প্রকার ভাইরাস জনিত জীবানুর প্রকোপ হয়।
যে ভাইরাস আস্তে আস্তে পার্শ্ববর্তী এলাকা জেলা শহর ঘুরে সারা বিশ্বময় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

করোনা ভাইরাস আগমনে থমকে গেছে পুরো বিশ্ব। because
ভাইরাসের প্রকোপের পরিমাণ বাড়তে and বাড়তে একটা সময় মহামারী আকার ধারন করে।
জনবল আর্থিক প্রশাসনের দিক because থেকে তুলনামূলক ক্ষমতাধর
শক্তিশালী দেশ গুলিও নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছিলো করোনার ভয়ালো থাবায়।

করোনার ভয়ার্ত আঘাত ক্রমাগত প্রতি দেশেই আক্রমণ করছে, সেই আঘাত থেকে রেহাই পায়নি বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে করোনার হানায় প্রথম আক্রান্তের খবর পাওয়া যায় ২০২০ সালে ৮ মার্চ।
এই সময়ের মাত্র ১০ দিনের মাথায় because ১৮ মার্চ করোনা আক্রান্তের প্রথম মৃত্যু দেখে বাংলাদেশ। এরপর থেকে এক দুই জন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা and ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে হুহু করে।

বাংলাদেশ সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখেছে প্রায় ২৫০ জন। করোনা ভাইরাস বা কোভিড ১৯ যেনো একটি মৃতুর খেলা।
যে খেলায় প্রতিটা দেশই অংশ নিয়ে because দিনকে দিন ভারী হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল।
প্রতিটা দেশেরই রাত হয় লাশের সংখ্যা গুনে and আবার সকালটাও শুরু হয় নিজ দেশ ও অন্য দেশের মৃত্যুর খবর দিয়েই।

২০ সালেই বাংলাদেশ সরকার ১০ দিনের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে।
এই সময় দেশের সকল শিক্ষা because প্রতিষ্ঠান গুলিতেও সাধারণ ছুটি দেয়া হয়।
করোনার আক্রমণ so কমে না গিয়ে উর্ধ্বগতী and হওয়ার কারনে একই বছর ১৭ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
গুলির ছুটির মেয়াদ কয়েক দফা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে যার ফল স্বরুপ এক
বছরের বেশি সময় because ধরে বন্ধ রয়েছে সকল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল কলেজ সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

দেশ জুড়ে লকডাউন দেয়ার আগে

এরপর দেশ জুড়ে লকডাউন দেয়ার আগে করোনা আক্রান্তের বাড়ি এবং প্রয়োজন হলে উপজেলা
ভিত্তিক লকডাউন ঘোষণা দেয়া হয় যার ধারাবাহিকতায় একে একে জেলা পর্যায়েও লকডাউন দেয়া
হলে করোনা প্রকোপের so লাগাম ধরতে and ওই বছরের ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের ২৯টি জেলা
সম্পূর্ণ ও ১৯টি জেলা সময়সীমা বেঁধে দিয়ে আংশিক because ভাবে লকডাউন করে দেয়া হয়েছিল।
দেশ ব্যাপী সন্ধ্যা ৬টার-সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইরে বের হতে গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। and সেইসাথে because এক অঞ্চল বা শহর থেকে অন্য এলাকায় চলাচল বন্ধের দিকেও প্রশাসন কড়াকড়ি নজর আরোপ করা হয়েছিল। because কিন্তু তবুও করোনা ভাইরাস যেন থামতেই চাচ্ছিলো না বলে পুরো দেশ ব্যাপি প্রতিটা জেলা লকডাউনের আওতায় আনা হয়।

বাংলাদেশে প্রথম দিকে and লকডাউন কার্যকরের সময়কে সরকারিভাবে সাধারণ ছুটি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই ছুটির মধ্যে সারা দেশ ব্যাপী জরুরি সেবা, পণ্য because পরিবহন, চিকিৎসা মুলক জরুরি প্রয়োজনের ক্ষেত্রগুলো ছাড়া গণপরিবহন সহ সকল and যানবাহন অবরুদ্ধ করা হয়। এই সাধারণ ছুটি থেকে শুরু হয়ে দেশ ব্যাপি লকডাউন কয়েক দফা বর্ধিত হয়ে দেশে আজ soঅব্দি চলমান রয়েছে। চীন সহ বিশ্বের because অধিকাংশ দেশ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ করেছে এর ফলে আতঙ্ক জনমনে ভীতির তৈরি হয়েছে।

সুত্র মতে দেখা যায় মধ্য চীনের so উহান শহর থেকে এই ভাইরাসের প্রথম যাত্রা। ১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর এই শহরে নিউমোনিয়ার মতো একটি রোগ ছড়িয়ে যায়। এটি দেখে প্রথম চীন কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে। এই খবরের ১২ দিন পরেই ১১ জানুয়ারি এই রোগের because থাবায় প্রথমবারের মত এক জনের মৃত্যু হয়।
করোনার লক্ষন
করোনা সংক্রমণের and প্রধান ও প্রথম লক্ষণ জ্বর ও because সর্দি কাশির সাথে শ্বাস so নিতে কষ্ট হওয়া। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর শরিরে লক্ষণ দেখা and দিতে দিতে because পাঁচ দিন মত সময় লাগে। প্রথম লক্ষণ জ্বর তারপর শুকনো কাশি হয়ে সপ্তাহ খানেকের মধ্যে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

About admin

Check Also

পরিচালক রাজ গ্রেফতার পরীমনির আটক আটকের পর

পরীমনি আটক অতঃপর পরিচালক রাজ গ্রেফতার চিত্রনায়িকা পরীমনির গ্রেফতারের পরে পরীমনির বাসার পাশে পরিচালক নজরুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *