Breaking News

৫ বছর আগের জুলহাজ তনয় হত্যা মামলায় ৬ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত

পাঁচ বছর আগের জুলহাস তনয় হত্যা মামলায় ৬ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত

কুরিয়ার সার্ভিসের সার্ভিস সেবা প্রদানকারী কর্মী সেজে বাড়ির নিচে আসেন। and কৌশলে নিরাপত্তা কর্মী দুই জনকে আটকে ফেলেন একটি রুমে। so
এরপর এরা চলে আসেন জুলহাজ মান্নানের ফ্লাটে but জুলহাজের বাসায় উপস্থিত ছিলো ব্লগার তনয় Because
বিভিন্ন কথার ফাকে কুরিয়ার সার্ভিসের লোক পরিচয়ে ভিতরে প্রবেশ করে ৫ জন ব্যাক্তি। so
and জুলহাজ ও তনয়কে উপর্যুপরি আঘাত করে মেরে ফেলেন কথিত ৫ জঙ্গি। Because উপর থেকে নির্দেশনা দেয়া আছে বলে জানান এই সময়ে।

so ফ্লাটে খুন but জরে মেরে পালানোর সময় হায়দার নামে এক জনকে পুলিশ সদস্য জাপটে ধরেন but
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আকিল নামে একজন এসে পুলিশকে কুপিয়ে জখম করে। because
and ৫ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য সংস্থা ইউ এস এ আই ডি এর কর্মকর্তা because জুলহাজ মান্নান
ও তার নাট্যকার বন্ধু মাহবুব রাব্বি তনয়কে কলাবাগানের নিজ বাড়ি হত্যা করা হয়। so
তনয় জুলহাজ হত্যা মামলার ৫ বছর পর মামলার ৮ আসামীর মধ্যে দুই আসামিকে খালাস দেয়া হয় and
অপর ৬ জঙ্গি সদস্য আসামীকে মৃত্যুদণ্ড দেয় সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইবুনালের বিচারক মজিবুর রহমান।

আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া ছয় আসামির

আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া because ছয় আসামির নাম চাকরি হারানো মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক, so
আকরাম হোসেন, মোজাম্মেল হোসেন ওরফে সায়মন, মো. আরাফাত রহমান, মো. শেখ আবদুল্লাহ জোবায়ের ও আসাদুল্লাহ।
তবে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ৬ জঙ্গির মধ্যে দুই আসামি পলাতক অবস্থায় আছে এরা হলেন সৈয়দ জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেন। and
২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল কলাবাগানের আলোচিত জোড়া খুনের মামলার ৩ বছর তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের মে মাসে
দাখিল করা প্রতিবেদনে পুলিশ জানায় আনসার আল ইসলাম নামক নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের ৮ জন সদস্য জড়িত রয়েছেন। and

হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়ত থাকার কথা so স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন ৪ জঙ্গি সদস্য। so
এই জবানবন্দি থেকে খুনের কারন বর্ণনা অংশ because নেয়া সবার নাম পরিকল্পনা সহ সব বের হয়। but
জানায় যায় খুনের ঘটনার নির্দেশদাতা ছিলেন আনসার আল ইসলাম এর সামরিক শাখার চাকরি হারানো জিয়াউল হক। and
সর্বশেষ তথ্য মতে পুলিশের দেয়া অভিযোগ আমলে নিয়ে জিয়া সহ মোট ৮ জনের নামে ২০২০ সালে ১৯ নভেম্বর বিচার কাজ শুরু করেন।
Because রাস্ট্রপক্ষে সাক্ষি ছিলেন ২৪ জন এদের আদালতে পেশ করা হয়। and এই জিয়াই প্লান করেন হত্যার সব কিছু। so
কম্পিউটারে ভুয়া আইডি বের করানো হয় কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মী পরিচয়ে। এরপর জিয়াই সবাইকে পরের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করতে বলেন।
সেদিন মান্নানের বাসায় তনয় ও জুলহাজ মান্নানকে হত্যার সময় ৫ জঙ্গি সদস্য ছিলেন এবং খুন করে তারা পালিয়ে যায়।

About admin

Check Also

পরিচালক রাজ গ্রেফতার পরীমনির আটক আটকের পর

পরীমনি আটক অতঃপর পরিচালক রাজ গ্রেফতার চিত্রনায়িকা পরীমনির গ্রেফতারের পরে পরীমনির বাসার পাশে পরিচালক নজরুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *